ছোট বাচ্চা যখন কোন অসৌজন্যমূলক বাক্যালাপ কিংবা অস্বাভাবিক আচরণ করে ভুল করে তখন তাকে দু’একটা চড় থাপ্পর মেরে শাসন করলে হয়ত সে ভয়ে ভুলটি দ্বিতীয় বার করার আর সাহস পায়না। কিন্তু উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত একজন মানুষ যদি সজ্ঞানে সে ধরনের মারাত্মক কোনো ভূল করে তবে তাকে চড় থাপ্পর মারবেন কি করে? যদি হয় সে শিক্ষক! অবশ্য সে সমস্ত অনেক শিক্ষক বয়সে কিন্তু কম না। পাকা পেপের মত রসে ভরা তাদের শরীর। মেজাজ একেবারে হরিষে বিষাদ। কাড়ি কাড়ি ডিগ্রী ও যশ খ্যাতিতেও কম নেই। কিন্তু সে লেভেলের জনাবদের পবিত্র জবান থেকে যদি হাস্যকর ও বিভ্রান্তিকর বয়ান বের হয় তবে কেমন লাগবে? যাদের জন্য তাদের যশ খ্যাতি এত উপরে। যারা তাদেরকে দেবতার মত মানুষের কাছে উপস্থাপন করেছে। সেই সাংবাদিকদেরকে আজ তারা হলুদ সাংবাদিকতার পাশাপাশি সাংবাদিকদের সকল অপকর্মের হোতা বলে দিব্যি বলে যাচ্ছে। যাদের সাদাসিধে কথাগুলো মানুষের কাছে অসাধারণ ও সৃজনশীলভাবে পরিবেশন করেছে সেই সব সাংবাদিকদের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বের করে বিভিন্ন প্রকার হুমকি প্রদানের মত ধৃষ্টতা দেখালেন শাবিপ্রবি আওয়ামী-বাম ঘরানার কতিপয় মুখরোচক প্রগতিশীল শিক্ষকবৃন্দ। যারা নিজেদেরকে সাংবাদিকতার স্বাধীনতা বিশ্বাসী নামধারী বলে আখ্যায়িত করেন। সেইসব তথাকথিত শিক্ষকদের হুমকি-ধামকি ও ভীমরতি পূর্ণ বয়ানে বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের এতদিনের সকল স্বীকৃত অর্জন এখন ধূলায় ধুসরিত প্রায়।
শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রগতির অন্যতম অংশ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকবৃন্দ। বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল সমস্যা সম্ভাবনাগুলোকে দেশ জাতির কাছে ফটিয়ে তুলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নকে তরান্বিত করেছেন। কিন্তু কতিপয় শিক্ষকদের অযাচিত ও কুরুচিপূর্ণ বাক্যে সাংবাদিক ও সাংবাদিকতার মহান পেশা এখন হুমকির মুখে। বলা হয়ে থাকে ‘সংবাদপত্র জাতির দর্পণ’, আর যারা সংবাদপত্রে কাজ করেন তাদেরকে বলা হয় সেই ‘জাতির বিবেক’। একটি তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে অনেক সাংবাদিককে তার প্রাণ পর্যন্ত বিসর্জন দিয়েছেন। কাউকে পঙ্গুত্ব কিংবা বিকলাঙ্গ ও অভিশাপময় জীবন যাপন করতে হচ্ছে। সকল ক্ষেত্রে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রতিনিয়তই সাংবাদিকরা সত্যের অন্বেষণে সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছেন। আজ কতিপয় ভীমরতিপূর্ণ শিক্ষকদের কাছে হুমকির মুখে এ মহান পেশাটি। যে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্যেক ইট বালুতে তাদের কলমের স্পর্শ। যাদের নিরলস সংবাদ পরিবেশনের কারণে খুব অল্প সময়ে নবীন বিশ্ববিদ্যালয়টি মেধাবীদের সহ সবার নজরে। সেই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে থেকে তাদেরকে বের করে দেয়ার দরকার ধৃষ্টতা দেখানো হচ্ছে।
কথা বলছিলাম, শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে। বিগত কয়েকমাস ধরে বেশ তুলকালাম হচ্ছে স্বনাম ধন্য নবীন এ বিশ্ববিদ্যালয়টিতে। শিক্ষকের দূর্নীতির বিরুদ্ধে সংবাদ পরিবেশন করায় নিয়মবহির্ভূতভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত স্থানীয় একটি পত্রিকার প্রতিনিধিকে বহিষ্কারাদেশ নিয়ে অনেক আলোচনা-সমালোচনার ঝড় বয়ে যাচ্ছে। ইতিমধ্যে প্রশাসন তাকে বহিষ্কার করলেও তা নিয়ে ক্যাম্পাসে বেশ বিপত্তি-আপত্তি চলছে। হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ থাকার পরেও প্রশাসনের একমুখী ও অটল সিদ্ধান্তে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক ও প্রশাসন এখন দ্বিমুখী অবস্থানে। ঐ সব প্রগতিশীল শিক্ষক উক্ত বহিষ্কারাদেশ স্থায়ীভাবে বহিষ্কার বললেও আবার তারা ক্যাম্পাসে তা প্রমাণ করতে সভা সমাবেশ করে অস্থিতিশীল করছেন। অভিযুক্ত দূর্নীতিবাজ শিক্ষককে জাতীয় বীর বলে অভিহিত করছেন। কিন্তু শাহপরান হলে সাংবাদিক কক্ষে ছাত্রলীগের কতিপয় সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে অগ্নিসংযোগ ও ভাংচুরের কোনো সুষ্ঠ তদন্ত করে বিচারের উদ্দ্যোগ না নিয়ে এখন পুরো বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে প্রশাসন। যে জায়গায় দূর্নীতির বিরুদ্ধে অবস্থান থাকার কথা সেই জায়গায় না থেকে তাদের স্বার্থ স্বিদ্ধি হাসিলের জন্য ঐসকল শিক্ষকরা সাংবাদিকদের উৎখাতের জন্য ক্যাম্পাসে মানববন্ধন, মৌন মিছিল ও সভা-সমাবেশ করে এক ঘৃণিত নজীর স্থাপন করছে। ড. সুশান্ত কুমার দাস, ড. জাফর ইকবাল, ড.ইয়াসমিন হক সহ প্রগতিশীল শিক্ষকরা সভা- সমাবেশ করে গলা ফাটিয়ে বলছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিকতার কোনো দরকার নেই। এমনকি সিলেট শহরে কর্মরত সকল সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে মুখে যা আসছে তাই বকে যাচ্ছেন। 'দূর থেকে বসে সিলেট শহরের সাংবাদিকরা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিস্থিতি অশান্ত করার জন্য কলকাঠি নাড়ে। তা বাস্তবায়ন করে বিশ্ববিদ্যালয়ের হলুদ সাংবাকিকরা। সাংবাদিকতার নাম নিয়ে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য থেকে শুরু করে শিক্ষকদের বিরুদ্ধে বিষোদগার করে হচ্ছে। সাংবাদিকরাই সকল অপকর্মের হোতা’। তাদের জানা দরকার, বিশ্ববিদ্যালয়ে যদি সাংবাদিকতার দরকার না থাকত তাহলে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে জার্নালিজমের উপর আলাদাভাবে অনার্স মাস্টার্স কোর্স থাকত না।
যদি সাংবাদিক বলতে আদৌ কিছু না থাকত তাহলে আপনারা আজকে এ অবস্থায় আসতেন না। ‘শিয়ালের গর্জন শুনে কাছাকাছি থাকা আরেক শিয়ালই গর্জন করে’ কিন্তু আপনাদের কর্কশ আওয়াজ দেশের এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে শ্রুতিমধুর করে পৌছাতো কারা? ফাঁকা মাঠে আওড়ানো আপনাদের বুলিগুলো কারা কাভারেজ করত? ভুলে যাবেন না, আপনাদের মত কয়েক ডজন মুখরোচকদের জন্ম এই সাংবাদিকরা দিয়েছে। আজ আপনারা তাদেরকে চাকুরির ভয় ভীতি দেখাচ্ছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিকদের আপনারা কি নিয়োগ দেন (!) আজ বলছেন, সাংবাদিক বলতে কিছু নেই, কথাগুলো বলার আগে একবার কি ঠান্ডা মাথায় কখনো আপনাদের অস্তিস্তের কথা ভেবেছিলেন? গোবর দিয়ে ঢিল ছুড়ার আগে ভাববেন, যে ঢিলটি ছুড়লাম একা কার উপরে গিয়ে পড়বে। বিশ্ববিদ্যালয় আপনাদের কোনো নিজস্ব সম্পত্তি না বরং আপনারা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন বেতন ভোগী দাস মাত্র। পরগাছার মত এ ডালে ও ডালে বেয়ে চলেছেন, যদি কেউ মূলসহ একবার ছিড়ে ফেলে তাহলে কি অবস্থা হবে ভাবুন তো।
শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রগতির অন্যতম অংশ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকবৃন্দ। বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল সমস্যা সম্ভাবনাগুলোকে দেশ জাতির কাছে ফটিয়ে তুলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নকে তরান্বিত করেছেন। কিন্তু কতিপয় শিক্ষকদের অযাচিত ও কুরুচিপূর্ণ বাক্যে সাংবাদিক ও সাংবাদিকতার মহান পেশা এখন হুমকির মুখে। বলা হয়ে থাকে ‘সংবাদপত্র জাতির দর্পণ’, আর যারা সংবাদপত্রে কাজ করেন তাদেরকে বলা হয় সেই ‘জাতির বিবেক’। একটি তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে অনেক সাংবাদিককে তার প্রাণ পর্যন্ত বিসর্জন দিয়েছেন। কাউকে পঙ্গুত্ব কিংবা বিকলাঙ্গ ও অভিশাপময় জীবন যাপন করতে হচ্ছে। সকল ক্ষেত্রে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রতিনিয়তই সাংবাদিকরা সত্যের অন্বেষণে সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছেন। আজ কতিপয় ভীমরতিপূর্ণ শিক্ষকদের কাছে হুমকির মুখে এ মহান পেশাটি। যে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্যেক ইট বালুতে তাদের কলমের স্পর্শ। যাদের নিরলস সংবাদ পরিবেশনের কারণে খুব অল্প সময়ে নবীন বিশ্ববিদ্যালয়টি মেধাবীদের সহ সবার নজরে। সেই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে থেকে তাদেরকে বের করে দেয়ার দরকার ধৃষ্টতা দেখানো হচ্ছে।
কথা বলছিলাম, শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে। বিগত কয়েকমাস ধরে বেশ তুলকালাম হচ্ছে স্বনাম ধন্য নবীন এ বিশ্ববিদ্যালয়টিতে। শিক্ষকের দূর্নীতির বিরুদ্ধে সংবাদ পরিবেশন করায় নিয়মবহির্ভূতভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত স্থানীয় একটি পত্রিকার প্রতিনিধিকে বহিষ্কারাদেশ নিয়ে অনেক আলোচনা-সমালোচনার ঝড় বয়ে যাচ্ছে। ইতিমধ্যে প্রশাসন তাকে বহিষ্কার করলেও তা নিয়ে ক্যাম্পাসে বেশ বিপত্তি-আপত্তি চলছে। হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ থাকার পরেও প্রশাসনের একমুখী ও অটল সিদ্ধান্তে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক ও প্রশাসন এখন দ্বিমুখী অবস্থানে। ঐ সব প্রগতিশীল শিক্ষক উক্ত বহিষ্কারাদেশ স্থায়ীভাবে বহিষ্কার বললেও আবার তারা ক্যাম্পাসে তা প্রমাণ করতে সভা সমাবেশ করে অস্থিতিশীল করছেন। অভিযুক্ত দূর্নীতিবাজ শিক্ষককে জাতীয় বীর বলে অভিহিত করছেন। কিন্তু শাহপরান হলে সাংবাদিক কক্ষে ছাত্রলীগের কতিপয় সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে অগ্নিসংযোগ ও ভাংচুরের কোনো সুষ্ঠ তদন্ত করে বিচারের উদ্দ্যোগ না নিয়ে এখন পুরো বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে প্রশাসন। যে জায়গায় দূর্নীতির বিরুদ্ধে অবস্থান থাকার কথা সেই জায়গায় না থেকে তাদের স্বার্থ স্বিদ্ধি হাসিলের জন্য ঐসকল শিক্ষকরা সাংবাদিকদের উৎখাতের জন্য ক্যাম্পাসে মানববন্ধন, মৌন মিছিল ও সভা-সমাবেশ করে এক ঘৃণিত নজীর স্থাপন করছে। ড. সুশান্ত কুমার দাস, ড. জাফর ইকবাল, ড.ইয়াসমিন হক সহ প্রগতিশীল শিক্ষকরা সভা- সমাবেশ করে গলা ফাটিয়ে বলছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিকতার কোনো দরকার নেই। এমনকি সিলেট শহরে কর্মরত সকল সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে মুখে যা আসছে তাই বকে যাচ্ছেন। 'দূর থেকে বসে সিলেট শহরের সাংবাদিকরা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিস্থিতি অশান্ত করার জন্য কলকাঠি নাড়ে। তা বাস্তবায়ন করে বিশ্ববিদ্যালয়ের হলুদ সাংবাকিকরা। সাংবাদিকতার নাম নিয়ে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য থেকে শুরু করে শিক্ষকদের বিরুদ্ধে বিষোদগার করে হচ্ছে। সাংবাদিকরাই সকল অপকর্মের হোতা’। তাদের জানা দরকার, বিশ্ববিদ্যালয়ে যদি সাংবাদিকতার দরকার না থাকত তাহলে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে জার্নালিজমের উপর আলাদাভাবে অনার্স মাস্টার্স কোর্স থাকত না।
যদি সাংবাদিক বলতে আদৌ কিছু না থাকত তাহলে আপনারা আজকে এ অবস্থায় আসতেন না। ‘শিয়ালের গর্জন শুনে কাছাকাছি থাকা আরেক শিয়ালই গর্জন করে’ কিন্তু আপনাদের কর্কশ আওয়াজ দেশের এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে শ্রুতিমধুর করে পৌছাতো কারা? ফাঁকা মাঠে আওড়ানো আপনাদের বুলিগুলো কারা কাভারেজ করত? ভুলে যাবেন না, আপনাদের মত কয়েক ডজন মুখরোচকদের জন্ম এই সাংবাদিকরা দিয়েছে। আজ আপনারা তাদেরকে চাকুরির ভয় ভীতি দেখাচ্ছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিকদের আপনারা কি নিয়োগ দেন (!) আজ বলছেন, সাংবাদিক বলতে কিছু নেই, কথাগুলো বলার আগে একবার কি ঠান্ডা মাথায় কখনো আপনাদের অস্তিস্তের কথা ভেবেছিলেন? গোবর দিয়ে ঢিল ছুড়ার আগে ভাববেন, যে ঢিলটি ছুড়লাম একা কার উপরে গিয়ে পড়বে। বিশ্ববিদ্যালয় আপনাদের কোনো নিজস্ব সম্পত্তি না বরং আপনারা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন বেতন ভোগী দাস মাত্র। পরগাছার মত এ ডালে ও ডালে বেয়ে চলেছেন, যদি কেউ মূলসহ একবার ছিড়ে ফেলে তাহলে কি অবস্থা হবে ভাবুন তো।

No comments:
Post a Comment